মোঃ আব্দুল খালেক (অধ্যক্ষ, চেতনা বিদ্যা নিকেতন, বদরগঞ্জ, রংপুর। )

মোঃ আব্দুল খালেক

অধ্যক্ষের বানী

শিক্ষাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী, মানসম্মত ও টেকসই করতে সরকারের নানামুখী নিরন্তর প্রয়াস চলছে। বিনামুল্যে বই বিতরণ, স্কুল ফিডিং, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, শিক্ষক মন্ডলীকে নানামুখী  প্রশিক্ষণ, আধুনিক মূল্যায়ন পদ্ধতি, শিক্ষক নিয়োগে পরিবর্তন, এ সবই শিক্ষার সর্বাধুনিক শিক্ষা প্রযুক্তিতে প্রবেশের প্রয়াস। এত কিছুর পরেও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। কোথায় যেন একটা খুত রয়ে গেছে। যা খুত-তা মূলতঃ মুখস্থ নির্ভরতা। এত যে প্রশিক্ষণ তারপরও শিক্ষকবৃন্দ আছন্ন হয়ে আছেন মুখস্থ নির্ভর শিক্ষায়। গাইড নির্ভরতা তো আছেই। শিক্ষকবৃন্দের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনতে পারলে শিক্ষার গুনগত মান নিঃসন্দেহে বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষকবৃন্দকে দক্ষ, আধুনিক শিক্ষা উপযোগী করে গড়ে তুলে-শিশুর যথাযথ বিকাশে আনন্দময় শিখন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিদ্যালয়টিকে ৯ম-১০ম শ্রেণিতে উন্নীত করা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানামূখী কার্যক্রম গ্রহনের চিন্তা আছে। শিখন শেখানো কার্যক্রম ফলপ্রসু ও কার্যকরী করতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। অভিভাবকদের জন্য আনন্দ পাঠাগার স্থাপনের ভাবনা আছে। সর্বোপরি ব্যবহারিক শিক্ষা ব্যবস্থা আরোপ করার নানামূখী কার্যক্রমের সুদুরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।

ফ্রেডরিক ফ্রোয়েবল-এর দর্শণকে ধারণ করে ৩+ বয়সের শিশুদের জন্য অংকুর(প্লে), ৪+বয়সের শিশুদের জন্য উদগম(নার্সারী), ৫+ বয়সের শিশুদের জন্য উন্মেষ(প্রাক-প্রাথমিক) শ্রেণির যথাযথ প্রয়োগ করা হবে। এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা যেন বিদ্যালয়েই শিখনকাজ সম্পন্ন করতে পারে-সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বিদ্যালয়টিকে আমরা স্বপ্নের ঠিকানা বানাতে চাই। এজন্য ৪-৫ বছর সময় লাগতে পারে। সে পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকলের সর্বাত্বক সহযোগিতায় প্রত্যাশা করি।

 

মোঃ আব্দুল খালেক

অধ্যক্ষ

চেতনা বিদ্যা নিকেতন

বদরগঞ্জ, রংপুর।